Posts

Showing posts from 2019

এমিলিঃ টুকরো থেকে খুঁজে নেওয়া জীবন

Image
কিচ্ছু না বলার মধ্যেও অনেককিছু বলা থাকে। এই জীবনটাই আসলে একটা চলমান গল্প। আলাদা করে গল্প খুঁজতে যাওয়ায় আর নতুন কিচ্ছু পাওয়া থাকে না। যেমনটা বহুদিন আগে আমার খুব পছন্দের একজন মানুষ হাসিচ্ছলে বলেছিল "জায়গা ছেড়ে দেওয়ার মধ্যেই থাকে অনেকখানি জাগয়া"। সেইরকম জীবন থেকে গল্প খুঁজে নেওয়ার মধ্যেই থাকে সেই উন্মাদনা। কল্পনার জগত কতটা বিস্তৃত হতে পারে? কতটা তাতে ডুবে গেলে বাঁচা যায় প্রতিটা মুহূর্ত তার পরিমাণ করা বড্ড কঠিন। কতটা আকুতি থাকলে একজন তার চারপাশের প্রতিটা মানুষকে নিয়ে ভাবে তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ এমিলি। প্যারিসে তখন সত্তর দশক। কোনোএক ছোট্ট শহরের মেয়ে এমিলি। মেয়েটা বড় অদ্ভুত। এবং তার জীবনের ছোট ছোট দুঃখগুলো আরো অদ্ভুত, কখনো হাস্যকর। তবে, এটাই তো জীবনের গল্প। একের দুঃখ যে বরাবরই অন্যের হাসির খোরাক হয়ে এসেছে। যাই হোক, মেয়েটার এক অত্যাশ্চর্য ক্ষমতা আছে। যা কেউ দেখতে পায় না, তাই যেন দেখে মেয়েটা। যৌন উত্তেজনার চেয়ে পথ চলতি দোকানের সামনে রাখা চালডালের বস্তায় হাত ঢুকিয়ে দেওয়াতেই তার বেশি আনন্দের। যখনকার কথা, তখন রাস্তায় রাস্তায় বসানো থাকতো টেলিফোন বুথ, টেপ রেকর্ডারে জমানো হত তথ্য...

এথিক্স ও দায়বদ্ধতার মুখোশের নিচে আমরা সবাই জোকার

Image
হাসি বড় শ্লেষের, কোথাও বা বিষাদের। সমস্ত মানুষ তার জীবনটাকে দুবার বাঁচতে চায়। একবার মনে মনে, ঠিক যেমনটা তার স্বপ্ন, আর একবার বাস্তবে। কিন্তু যাদের স্বপ্নপূরণ হয় না, তাদের বাস্তবটা কি একই রকম হয়? জোকার সিনেমাটা দেখতে দেখতে এই কথাগুলোই মাথায় ঘুরছিল। প্রথমেই বলে রাখি কোনো কমিকবুকের চরিত্রের সাথে মেলাতে গেলে নতুন কিছু এক্সপোর করা যাবে না, তবে দেখার আগে প্লট এবং সময়টা একটু জেনে নিতেই হবে। নয়তো জোকারের জন্ম রহস্যে অনেক প্রশ্ন উঠবে। আচ্ছা, এবার যদি একটু দূরে সরে এসে পাখির দৃষ্টিতে দেখি, মানে ভুলে যাই এই ক্রিমিনাল অধ্যুষিত গথাম সিটি, আরখাম স্টেট হসপিটাল, থমাস ওয়েন বা আর্থার ফ্লিককে, তাহলে হয়তো পরিস্থিতির মুখে আমি আপনি সবাই আস্তে আস্তে জোকার হয়ে উঠতে পারি। জোকারকে যদি ডার্ক ক্যারেক্টার বলে ব্রাত্য করা হয় তাহলে সমাজের প্রতিটা মানুষই ব্রাত্য। আসলে, জোকার কোনো চরিত্র নয়, একটা জার্নি। ধরুন, আপনি এমন একজন মানুষ যার উপস্থিতি কিম্বা অনুপস্থিতিতে কারো কিছু যায় আসে না, অথচ আপনারও তো একটা মন আছে, মনে মনে কিছু একটা হয়ে ওঠার স্বপ্ন, একটা প্রতিষ্ঠিত মুখ হয়ে ওঠার ইচ্ছা। এরকম এক পরিস্থিতিতে আপনি ...

কবীর সিং- “টক্সিক ম্যাসকুলিনিটি”-র আড়ালে চাপা পরা চরিত্রায়ন যা আশার আলো দেখায় না

Image
কবীর সিং অভিনয়ঃ শাহিদ কাপুর , কিয়ারা আদবানি। পরিচালনাঃ সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা রেটিং- ২.৫/৫ প্রথমে আসে পেট্রিয়ার্কি , তারপর আসে প্রচণ্ড পেট্রিয়ার্কি। সবশেষে আসে কবীর সিং। ফেমিনিস্ট বলে গালাগাল দেবেন তো ? তার আগে একটু গল্পটা শুনে নিন। একজন স্মার্ট , মেধাবী , ডাক্তারির ছাত্র সর্বগুণ সম্পন্ন , কিন্তু অ্যারোগ্যান্ট , রুড। সে প্রেমে পড়লো এক জুনিয়ার স্টুডেন্টের। নাম তার প্রীতি সিক্কা। পড়লো মানে মেয়ে সিলেক্ট করে প্রেমিকা হিসাবে ঘোষণা করলো। সেই মেয়েও আপত্তি করলো না , চরম প্রেম করলো , পটাপট কয়েকটা চুমু খেলো। তারপর , বাড়িতে জানাতে গিয়েই হল বিপত্তি। প্রেমিকার বাড়িতে মানলো না , এবং অন্যত্র বিয়ে হয়ে গেলো , আর প্রেমিক কবীর সিং মদ , মেয়ে , আর সিগারেটে ডুবে গেল। যখন প্রেমিকার সাথে দেখা হল তখন সে একা ও সন্তানসম্ভবা । সবশেষে প্রেমিক-প্রেমিকার মিল। আজকাল ভারতীয় সিনেমার এই উন্নতির দিনে এই রকম গল্প ঠিক পাতে দেওয়া যায়না। এবার আসা যাক সিনেমার লজিক্যাল পয়েন্টে। ভারতীয় উপমহাদেশে স্টকিং , ইভটিজিং এমন কিছু বড় কথা নয় , তবে তাকে সিনেমার মাধ্যমে গ্লোরিফাই করাটা বোধহয় কোন কাজের কথা ...

হাকুনা মাটাটাঃ জগৎজোড়া আনন্দযজ্ঞের ঠিকানা "দ্য লায়ন কিং"

Image
Image Source: Google "রাজা", একটা ছোট্ট শব্দ, যার মধ্যে লুকিয়ে থাকে সংগ্রাম, বুদ্ধিমত্তা, দায়িত্ব, এবং যুদ্ধ। গল্পটা যখন এক অতি পরিচিত আফ্রিকান উপকথায় আর রাজা যখন খোদ কেশরধারী সিংহ কোথাও যেন তার গভীরতা আরো বেড়ে যায়। "দ্য লায়ন কিং" শুরু হয় সিম্বার জন্ম আর রাজা হবার সুশিক্ষা দিয়ে। সুশিক্ষাই বটে। বাবা যখন মুফাসা তা তো হবেই। আর সেখানেই তো ঝামেলা। একদিকে শেখানো হচ্ছে রাজার দায়িত্ব, সহনশীলতা, শক্তির সঠিক প্রয়োগ, অন্যদিকে স্কার ছল-চাতুরী দিয়ে হতে চাইছে রাজা (?)। বাকিটা সবার জানা, দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালন দিয়ে শেষ হয় সব দেশের সব উপকথারা। প্রথমেই স্বীকার করছি হিন্দিতে দেখে একটা বড়সড় ভুল করে ফেলেছি। ঠিক যেন মনে হচ্ছিল বিরিয়ানি খাচ্ছি মাঞ্চুরিয়ান সস দিয়ে। তবে, এও বলবো ভয়েস ওভারে সব তাগড়া তাগড়া লোক থাকাতে চরিত্রের সাথে খুব একটা ইনজাস্টিস্ট হয়নি। স্কারের চরিত্রে আশীষ বিদ্যার্থী, জাজুর চরিত্রে আস্রানি আর মুফাসার চরিত্রে সাহরুখ খান বেশ মানিয়েছে, কিন্তু রাজা মুফাসা আর একটু ঝাঁঝালো হলে ক্ষতি হতো না। ইংলিশের মুফাসা যখন নাছোরবান্দা সিম্বাকে শাসন ক...

আর্টিকেল ১৫- সামাজিক কদাচারের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠা এক শক্তিশালী হাতিয়ার

Image
Image Source: Google সমাজ একটা বড় সিস্টেম । সেই সিস্টেমে কেউ রাজা , কেউ প্রজা , কেউ সিপাহী । কিন্তু সমস্যা হয়ে যখন এই এত বড় কর্মকাণ্ডের মধ্যে যদি এমন কেউ এসে পড়ে যে এই রাজার রাজতন্ত্রকে ভাঙতে চায় । এমনই এক পরিবর্তন আনার গল্প আর্টিকেল ১৫। ঝাপসা, স্যাঁতস্যাঁতে একটি দলিতদের (?) গ্রামের দৃশ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই ছবিটি প্রথমেই বুঝিয়ে দেয় এখানে এমন অনেককিছু দেখতে চলেছি যা আমাদের নতুন ডিজিটাল ইন্ডিয়ার মানুষেরা একটা সো কলড মিথ বলে মনে করি। গল্পটি চ ট করে বললে এই দাঁড়ায়- তরুন আইপিএস অফিসার  আয়ান রঞ্জনের (আয়ুষ্মান খুরানা) পোস্টিং  হয় উত্তরপ্রদেশের এক অজ পাড়াগ্রাম লালগাঁওতে। দিল্লিতে থাকা নিউ ইন্ডিয়ার তরুন মুখোমুখি হয় সভ্য প্রগতিশীল সমাজের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ভয়াবহ সত্যের সাথে। হঠাৎ তিনটি নাবালিকার অন্তর্ধান ও দুজনের মৃত্যুর খবর আসে থানায়। সত্যতা খুঁজতেই বেড়িয়ে একের পর এক লুকোনো তথ্য। অভিনয়ের দিক থেকে প্রায় প্রত্যেকেই নজরকাড়া। আইপিএস অফিসারের ভুমিকায় আয়ুষ্মান অনবদ্য। প্রতিটি ছবিতেই তাঁর স্ক্রিনপ্রেজেন্ট এক অন্য মাত্রা নিয়ে আসে।  সেই “ভিকি ডোনার” থেকে তিনি বুঝিয়ে আসছেন য...

কণ্ঠঃ ভাঙা ছকের কথোপকথনে নিস্তব্ধতার শব্দ

Image
Image source: Google কন্ঠ , যতটা পেলব ঠিক ততটাই প্রবল একজন রেডিও জকি বা যে কোন বাচিক শিল্পীর কাছে। এ ছবির গল্প অনেকটা চেনা কিছুটা অচেনা ছকে বাঁধা। তাই চট করে গল্পের প্লটটা বলে নেওয়া যাক। প্রখ্যাত রেডিও জকি অর্জুন মল্লিক (শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়) তার ভয়েস অফ দ্যা ইয়ারের পুরস্কার নেবার দিন আবিস্কার করে ন যে তার গলা থেকে আওয়াজ বেড়নো দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে। ডাক্তার জানায় এ ক্যান্সার এবং বাঁচার উপায় একটাই তাঁর ভয়েস বক্সটা বাদ দিতে হবে। তারপর , তার স্ত্রী পৃথার (পাওলি দাম) , স্পি চ থেরাপিস্ট রুমেলা চৌধুরী (জয়া আহস ান) এবং তার নিজ অর্জিত উইলপাওয়ারের সংমিলিত প্রচেষ্টায় হয়ে ওঠেন এক অনবদ্য মানু ষ, একটা রক্তমাংসের ইন্সপিরেশন। Image source: Google চলে আসি চরিত্র বিশ্লেষণে।সিনেমার ওপেনিং সিনে শ্রীজাতর কবিতার লাইন "... ডিপ্রেশনের বাংলা জানি। মনখারাপ" কবিতার সঙ্গে ডিরেক্টর তথা অভিনেতা শিবপ্রসাদ একজন আর.জের ভুমিকায় যথাযথ। সেই মুহুর্তে আমি আবিস্কার করলাম , আহা লোকটার গলা সত্যিই সুন্দর। তিনি সত্যি সত্যি আর.জে কেন নন? এ দৃশ্যে তিনি এও বুঝিয়েছেন কথা না বলে কষ্ট প্রকাশের অভিব্যক্তি ,...

Game of Throne S08, S03: কি ভীষণ যুদ্ধ, ভয়, মৃত্যু, সাহসিকতা, সঙ্গে সম্পর্কের টানাপড়েন (spoiler free)

Image
Image Source: Google এই যে এতো তোড়জোড় , হিংসা , প্রতিহিংসা , এতো সতর্কীকরণ , winter is coming , Valar Morghulis , সেই তো যুদ্ধ হোল , মানুষ মরল। সোশ্যাল মি ডিয়ার সোশ্যাল মেসেজে এটা দেখে যদি আপনি উত্তেজিত হয়ে থাকেন যে এটি সমস্ত ওয়েব-সিরিজ দুনিয়ায় এক অন্যতম যুদ্ধ হতে চলেছে , তাহলে বলব ইহা সত্য। ইনসাইডার স্টোরি বলে এই ৮২ মিনিটের যুদ্ধর পেছনে ছিল ৫৫ টি রাত। চলে আসি আসল কথায়। সিন ওয়ান থেকেই আপনাকে নিয়ে যাওয়া হবে যুদ্ধের পটভূমিকায়। প্রথম ১৫ মিনিট সৈন্য সাজানো , সৈন্য সঞ্চালন   ও ক্রিপ্টে কারা থাকবে আর বাইরে কারা তা ঠিক হয়। সানসা , টিরিয়ন , চলে যায়  ক্রিপ্টে , মিসান্দে , গিলি , আর ছোট্ট স্যামের সাথে , বাকিরা লড়কে লেঙ্গে উইন্টারফেল । সৈন্যদলের প্রথম সারিতে রয়েছে পুরো ডথরাকি অশ্বারোহী , আর তাদের পাশে সাহসী ঘোস্ট। চলে আসে রেড উম্যান। এখনো কূটনীতিপরায়ণ , তবে ততটা কুটিলা নেই আর। আরিয়্যার সাথে তার কথাগুলো একটু খেয়াল করলেই বোঝা যাবে কি হতে চলেছে। এর বেশী বললে স্পয়লার দেবার অভিযোগ উঠবে আমার বিরুদ্ধে। যুদ্ধ শুরুতেই আগুন জ্বলে ওঠার মুহূর্ততা একটা যেন সুদৃশ্য ব্যাপার , তেমনই হৃদ...

ভিঞ্চি দাঃ শিল্প ও বুদ্ধিমত্তার থ্রিলিং সংমিশ্রন

Image
শিল্পী এবং মানব স্বত্ত্বা করে দেয় এই দৃশ্যগুলো গল্পটা যে একটা টানটান উত্তেজনাপূর্ণ সেটা ছবির ট্রেলার দেখেই আন্দাজ করা যায় । ছবিটিকে একটা নির্ভেজাল সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার বললে বোধহয় অত্যুক্তি করা হবেনা । চলে আসি সোজা গল্পে । এটা আসলে একটা সোজাসাপটা টলিপাড়ার খেটে খাওয়া , অথবা বলা ভালো খুঁটে খাওয়া এক মেকআপ আর্টিস্টের হঠাৎ করে পাল্টে   যাওয়ার গল্প । গল্পের কথক ভিঞ্চি দা, ওরফে রুদ্রনীল ঘোষ,  একজন প্রস্থেটিক মেকআপ আর্টিস্ট যিনি তাঁর কাজটিকে রীতিমত শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারেন, এবং তার যথাযথ দাম না পেলে মাথা নোয়াতে প্রস্তুত নয়। একই সঙ্গে চলতে থাকে আদি বোস (ঋত্বিক চক্রবর্তী) নামের একজন সাইকোপ্যাথ উকিলের গল্প যিনি  সমাজের বৃহত্তর অপরাধীদের শাস্তি দেওয়ার স্বার্থে ছোটখাটো অপরাধ করে তাদের পাপের বোঝাকে ব্যালেন্স করার চেষ্টা করে । সমস্যা শুরু হয়  যখন আর্টিস্টের সারভাইভাল আর সাইকোপ্যাথের প্যাশন একি খাতে বইতে থাকে। একদিন অজান্তেই ভিঞ্চি দা সামিল হয়ে যায় আদি বোসের সিরিয়াল কিলিংয়ে, এবং তা চলতেই থাকে; যদিও,  সব শেষে একদিন সেই জাল কেটে বেরিয়ে  আসে সে । গ...

প্রতিশোধ নয়, বদলা আসলে অভিনয় ও বুদ্ধিমত্তার পারফেক্ট কেমিস্ট্রি

Image
Image Source: Times of India প্রথমের বলে রাখা ভালো “বদলা” ২০১৬ তে মুক্তি পাওয়া স্প্যানিশ বক্সঅফিস কাঁপানো সিনেমা “দ্যা ইনভিসিবল গেস্ট” ছবির অফিশিয়াল রিমেক, এবং এটি আমার রিসার্চের ফলাফল নয় সিনেমার শুরুতেই সুজয়বাবু নিজেই জানিয়ে দিয়েছেন; অতএব, কপি কপি করে মাতামাতি করার কিছু নেই। ছবিটির আসল প্লট লন্ডনের একটি ফ্ল্যাটের ড্রইংরুমে। ছবি শুরুর মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই এটুকু পরিস্কার হয়ে যায় যে নয়না শেট্টি ওরফে তাপসী পান্নুর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ রয়েছে, এবং তাঁর হয়ে আইনি লড়াই লড়তে আসেন বাদল গুপ্ত ওরফে অমিতাভ বচ্চন যিনি তাঁর চল্লিশ বছরের আইনি ক্যারিয়ারে একটি কেসও হারেননি। তারপর, পুরো সিনেমা জুড়ে চলে টানটান উত্তেজনা। ছবিতে দুটি খুনের ঘটনা রয়েছে যেদুটি অবশ্যই একে অপরের সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত।  এসবের মধ্যেই চলে আসে দুই প্রৌঢ় দম্পতি রানী ও নির্মল এবং ঘটনার এক অন্যতম অংশ হয় যায় এঁরা। বাকিটা জানতে হলে প্রেক্ষাগৃহে যেতে হবে। চলে আসি অভিনয়ের কথায়। “পিঙ্ক”-এ তাপসী-অমিতাভের সেই সাবলীল জুটির পর এই দুজনকে একসাথে অনস্ক্রিন দেখার আগে যে এক্সপেক্টেশন তৈরি হয়, তার অন্যথা হয়...

৭ জন সমসাময়িক অনুপ্রেরনীয় নারীদের সাফল্যের গল্প

Image
পেরিয়ে গেছে তথাকথিত স্বাধীনতার অনেকগুলো বছর , তবুই যেন একটা অদৃশ্য শেকলে বাঁধা পড়ে  আছি আমরা সবাই। এবং শেকল শুনলেই  মনে পড়ে যায় নারীদের কথা। আন্তর্জাতিক নারী দিবস আসবে, আর আমরা বারবার শুভেচ্ছা দিয়ে যাব মেঘাচ্ছন্ন হয়ে থাকা “অর্ধেক আকাশ”-কে। অন্যদিকে, প্যারালাল ওয়ার্ল্ডে মহিলারা স্যানিটারি ন্যাপকিনের ছবি দেখিয়ে, রয়্যাল এনফিল্ডের ওপর বসে ছবি দিয়ে নারী দিবসে নারী স্বাধীনতার বিজ্ঞাপন দেবে। অথচ, সেই সব মহিলাদের কথা শোনা বাঁ বলা হয়ে ওঠে না যারা নারী দিবসে অফিসের ডেস্কে গোলাপ আর চকলেট পেয়েই থেমে থাকেনা। ১। শ্রদ্ধা শর্মা Image source: www.legalwiz.in শ্রদ্ধা শর্মা ছিলেন একজন সাধারণ মেয়ে এবং পাটনার সেন্ট স্টিফেন কলেজ ইতিহাসের ছাত্রী। পরবর্তী কালে তিনিই হয়ে উঠলেন ইওরস্টোরি   নামক ভারতের বৃহত্তম উদ্যোক্তাদের জন্য খোলা অনলাইন মিডিয়া প্লাটফর্মের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সম্পাদক। “When you know you have to fend for yourself every inch of the way, it gives you a different kind of grit and tenacity.” – Shradha Sharma ২। কিরন মজুমদার সাউ Ima...