Game of Throne S08, S03: কি ভীষণ যুদ্ধ, ভয়, মৃত্যু, সাহসিকতা, সঙ্গে সম্পর্কের টানাপড়েন (spoiler free)
| Image Source: Google |
এই যে এতো তোড়জোড়, হিংসা, প্রতিহিংসা, এতো সতর্কীকরণ, winter is coming, Valar Morghulis, সেই
তো যুদ্ধ হোল, মানুষ মরল। সোশ্যাল মি
ডিয়ার সোশ্যাল মেসেজে
এটা দেখে যদি আপনি উত্তেজিত হয়ে থাকেন যে এটি সমস্ত ওয়েব-সিরিজ দুনিয়ায় এক অন্যতম
যুদ্ধ হতে চলেছে, তাহলে বলব ইহা সত্য। ইনসাইডার স্টোরি বলে
এই ৮২ মিনিটের যুদ্ধর পেছনে ছিল ৫৫ টি রাত।
চলে
আসি আসল কথায়। সিন ওয়ান থেকেই আপনাকে নিয়ে যাওয়া হবে যুদ্ধের পটভূমিকায়। প্রথম ১৫
মিনিট সৈন্য সাজানো, সৈন্য সঞ্চালন ও ক্রিপ্টে কারা থাকবে আর বাইরে কারা তা ঠিক হয়। সানসা, টিরিয়ন, চলে যায় ক্রিপ্টে, মিসান্দে,
গিলি, আর ছোট্ট স্যামের সাথে, বাকিরা লড়কে লেঙ্গে উইন্টারফেল। সৈন্যদলের প্রথম সারিতে রয়েছে পুরো ডথরাকি
অশ্বারোহী, আর তাদের পাশে সাহসী ঘোস্ট। চলে আসে রেড উম্যান।
এখনো কূটনীতিপরায়ণ, তবে ততটা কুটিলা নেই আর। আরিয়্যার সাথে
তার কথাগুলো একটু খেয়াল করলেই বোঝা যাবে কি হতে চলেছে। এর বেশী বললে স্পয়লার দেবার
অভিযোগ উঠবে আমার বিরুদ্ধে। যুদ্ধ শুরুতেই আগুন জ্বলে ওঠার মুহূর্ততা একটা যেন
সুদৃশ্য ব্যাপার, তেমনই হৃদয়বিদীর্ন ডথরাকি সেনাদলের ধ্বংস,
আস্তে আস্তে আলো নিভে আসা আর দুর থেকে তা প্রতক্ষ্য করছে তাদের প্রিয়
খলিসি।
এই তো এই না হলে “সংগস অফ আইস অ্যান্ড ফায়ার”? ফায়ার তো হোল, আইসও আসবে, ধৈর্যং
এই তো এই না হলে “সংগস অফ আইস অ্যান্ড ফায়ার”? ফায়ার তো হোল, আইসও আসবে, ধৈর্যং
রহু...।
এ ভীষণ যুদ্ধের বর্ণনা কি কীবোর্ডে হয়? তবে
হ্যাঁ, মনে মনে ভালোবাসার চরিত্রকে বুক দিয়ে বাঁচানোর চেষ্টা
করবেন নিশ্চয়ই। গত দুই এপিসোডের পর জেমি একটা বিশেষ জায়গা অবশ্যই করে নিয়েছে আপনার
মনে, আর ব্রিয়ানা, থুরি নাইট ব্রিয়ানা
তো ছিলই সে লিস্টে। একটু আশ্বাস দিতে পারি, এরা দুজনই অক্ষত
আছে। ঠিক আছে ড্যানি, জন, আর ওদের দুই
ড্রাগন শিশুও। যদিও আকাশ যুদ্ধের বেশ কিছু মুহূর্ত দেখে আপনি মনে মনে প্রার্থনা
করবেন মাদার অফ ড্রাগন যেন সন্তান শোকে আর না কাঁদে। ভাবছেন স্পয়লার দিলাম?
মোটেই না। তবে, আপনাদের খলিসি তার একজন খুব কাছের বন্ধু হারাবে।
হ্যাঁ, এটা স্পয়লার। আসল মোর ঘুরবে নাইট কিংয়ের আগমনে। জন আর এই নীল চোখোর সম্মুখ
সমরে। আরিয়া আর মৃতদের সাথে লুকোচুরির ব্যাপারটায় কেমন যেন একটা হিচকক হিচকক গন্ধ
আছে। তবে, মেয়েটার জন্য ভয়ে কাঁটা হয়ে বসে থাকতে হবে ওই
সময়টুকু। এদিকে লাল আর নীল আগুনের শিখারা যেন একটা পারফেক্ট ফ্রেম তৈরি করেছে পুরো
এপিসোড জুড়ে।
এতো রক্ত, পচা মাংসের স্তুপ, ভয়,
কান্না, এসবের মাঝেও কিছু সম্পর্ক বুঝিয়ে দেয়
যুদ্ধের বাইরেও অনেক কিছু হয়, আসল কথা Valar Dohaeris
বা All men must serve, অর্থাৎ ধর্ম পালন,
রক্ষকের ধর্ম, সৈনিকের ধর্ম, সর্বোপরি মানুষের মানব ধর্ম পালন। ক্রিপ্টের ভেতর বসে টিরিয়ানকে সানসার
তাদের সম্পর্কের প্রতি আত্মপলব্ধি, জেমি-ব্রিয়ানার পারস্পরিক
জীবনরক্ষার পুরনো প্রথা, অথবা, ব্র্যানের
থেওনকে বোঝানো আসলে তার “হোম” কোনটা,
সবকটিই কি ভীষণ আবেগপ্রবণ।
যুদ্ধ যখন, মৃত্যু তো আসবেন। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের মৃত্যু
হবে। যেটা হবে না ভাবছেন, সেটাও হবে, হ্যাঁ, মৃত্যুর কথাই বলছি। বাকিটা নিজেই দেখে নিন।
রিভিউ পড়ে সিনেমাটা দেখার ইচ্ছে করছে। আমি এসবের ফ্যান নৈ তবুও। দারুন লিখেছো। ������
ReplyDelete