সমান্তরাল মানে ছুঁয়ে থাকা
এই
যে আমাদের ব্যস্ততা, সকালে
উঠে ট্রেন ধরা, দুপুরে
কাজের ফাঁকে আড়মোড়া ভেঙ্গে নেওয়া, এই সবের পাশাপাশি হেঁটে যায় আরও
একটা মুখ, আরও
একটা পরিচয়, আরও
কয়েকটা না বলা ইচ্ছেরা। এমনই কিছুর একনাগাড়ে বয়ে চলা ইচ্ছেই আসলে সমান্তরাল।
ইচ্ছের মোড়ক খুলতে
খুলতেই পৌঁছানো যায় সেই সারপ্রাইজে যার জন্য আমরা সারাজীবন অপেক্ষা করে থাকি। অথচ
সেই সব দুমড়ে মুচড়ে ফেলা মোড়কগুলোতে লুকিয়ে থাকে পাখিদের গান, পিঁপড়েদের ভুঁড়িভোজ আর সমস্ত
ক্লান্তির পর ভেসে আসা বেহালার ছড়।
সমস্ত
চোখের ভেতর থাকে আরও একজোড়া চোখ যারা খুঁজে নেয় একটা স্পর্শ যে আশ্বাস জোগায়, চোখে চোখ রেখে বলে ভালোবাসি। তুমি না বাসলেও বাসি। সেখানে মন এসে
ভালবাসা বেড়ে দেয় পাতে, আর আমরা সবাই চেটেপুটে খাই। যেন
কাঙালীভোজের শালপাতা, আর ওদিকে গনগনে আগুনে চলছে যজ্ঞ।
জগতজোড়া আনন্দযজ্ঞ।
চিরাচরিত
উন্মাদ আর না-উন্মাদের পেছনে ঘাপটি মেরে থাকে এক অদ্ভুত উন্মাদনা যার নাগাল পেতে
পেতে কেটে যায় একটা দীর্ঘ জীবন। কেউ কেউ তো জীবন কাটায়, তবু নাগালই পায় না। ঠিক যেমন, সমস্ত নির্দেশ করা আঙুল চিনতে শেখায়; তবু পরিচয় হয়না।
এভবেই, জ্যামিতিক রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে শুধু পরে থাকে এ-স্কোয়ার প্লাস
বি-স্কোয়ার। ইকুয়ালস টু ইনফিনিটি হতে পারেনা। অথচ,
সমান্তরাল মানে তো একই সাথে, পাশাপাশি হাঁটা। সমান্তরাল মানে পাশাপাশি হেঁটে যাওয়া সেই দুটো
লাইন, যারা মনে মনে ছুঁয়ে থাকে। শক্ত করে
হাত ধরে থাকে আজীবন।

সুন্দর লেখা। ছবিটা আরও একটু বিশ্লেষণ করলে আরও ভালো লাগতো।
ReplyDeleteযদিও এটা ফিল্ম ফিলিং... তবুও।
আমি আসলে রিলিজ হবার এতো পরে সিনেমাগুল দেখি যে তখন আর রিভিউ দেওয়ার অপেক্ষা রাখে না। প্রায় সক্কলে দেখে ফেলে। তাই আমার মতো করে বিশ্লেষণ করি।
Delete